নোয়াখালী পাবলিক লাইব্রেরি লোড হচ্ছে...
"একটি গৌরবময় প্রতিষ্ঠানের জ্ঞানভান্ডার আপনার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে"
১৩০ বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে চলা একটি প্রাচীন প্রতিষ্ঠানের গৌরবময় ইতিহাস
বাংলা ও ইংরেজি বই
নিয়মিত পাঠক
বিভিন্ন প্রকাশনা
সমৃদ্ধ ইতিহাস
নোয়াখালী পাবলিক লাইব্রেরি ১৮৯৬ সালে তৎকালীন মূল শহর সোনাপুর এলাকায় স্থাপিত হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত এই লাইব্রেরি নোয়াখালী অঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে।
১৯৬০ সালের দিকে নদী ভাঙ্গনের কারণে লাইব্রেরির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক বর্তমান জায়গায় লাইব্রেরিটি স্থানান্তর করা হয়।
একটি সেমি-পাকা টিনের ঘরে মেরামত বিহীন সম্পূর্ণ জরাজীর্ণ ও পাঠক শূন্য অবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে ছিলো এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানটি।
বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়ানো
একটি গৌরবময় প্রতিষ্ঠান
মাইজদী শহর উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী জমির বরাদ্দ
মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী চিহ্নিত
রিজিউম সূত্রে প্রাপ্ত
১নং খাস খতিয়ানে
নামে সংরক্ষিত
বর্তমানে ২০ শতক ভূমি রিজিউম সূত্রে ১নং খাস খতিয়ানে পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১৫.০০ শতক টাউন হল ও ৫.০০ শতক পাবলিক লাইব্রেরির নামে রয়েছে।
১৮৯৬ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত লাইব্রেরির যাত্রাপথ
নোয়াখালী পাবলিক লাইব্রেরি তৎকালীন মূল শহর সোনাপুর এলাকায় স্থাপিত হয়। এটি জেলার প্রাচীনতম লাইব্রেরি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
নদী ভাঙ্গনের কারণে লাইব্রেরির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক বর্তমান জায়গায় লাইব্রেরিটি স্থানান্তর করা হয়।
একটি সেমি-পাকা টিনের ঘরে মেরামত বিহীন সম্পূর্ণ জরাজীর্ণ ও পাঠক শূন্য অবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে ছিলো।
মাইজদী শহর উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত মাস্টার প্ল্যানে নোয়াখালী টাউন হলের নামে গণপূর্ত বিভাগের জমি চিহ্নিত করা হয়েছে।
মাইজদী শহর উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত মাস্টার প্ল্যানে নোয়াখালী টাউন হলের নামে গণপূর্ত বিভাগের ১.৩৪ একর জায়গা চিহ্নিত করা ছিলো।
লাইব্রেরিকে একটি আধুনিক জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা
ডিজিটাল লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য মিলনায়তন নির্মাণ
ডিজিটাল আর্কাইভ ও ই-লার্নিং সেন্টার স্থাপন
১৩০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানকে নতুন প্রজন্মের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
নোয়াখালী পাবলিক লাইব্রেরি শুধু বইয়ের ভান্ডার নয়, এটি এই অঞ্চলের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও শিক্ষার জীবন্ত সাক্ষী। সময়ের পরিক্রমায় পরিবর্তিত হলেও এর আদর্শ ও লক্ষ্য আজও সমুজ্জ্বল।